google.com, pub-8608639771527197, DIRECT, f08c47fec0942fa0
জীবনীBikeবাংলা ট্রেন্ডিং

ইসরাইলের পণ্য তালিকা ও ব্র্যান্ড পরিচিতি ২০২৬

বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে সচেতন ভোক্তারা তাদের কেনাকাটার বিষয়ে অনেক বেশি সতর্ক। বিশেষ করে ফিলিস্তিন ও ইসরাইল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশেও সাধারণ মানুষ ইসরাইলি পণ্য বর্জনের ডাক দিয়েছে। অনেকেই সঠিক তথ্যের জন্য ইন্টারনেটে ইসরাইলের পণ্য তালিকা উইকিপিডিয়া লিখে অনুসন্ধান করছেন। কিন্তু উইকিপিডিয়াতে সবসময় সব তথ্য সুশৃঙ্খলভাবে বা এক জায়গায় পাওয়া যায় না। এছাড়া অনেক সময় তথ্যের অসম্পূর্ণতা থাকে। তাই আজকের এই আর্টিকেলে আমরা চেষ্টা করেছি বাংলাদেশে ও আন্তর্জাতিক বাজারে বহুল প্রচলিত ইসরাইলি ব্র্যান্ড এবং তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি বিস্তারিত ও নির্ভুল তালিকা তুলে ধরতে।

ইসরাইলি পণ্য কেন মানুষ খুঁজছে?

বিগত কয়েক বছরে মধ্যপ্রাচ্যের জিও-পলিটিক্যাল বা ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে মুসলিম বিশ্বসহ পশ্চিমা বিশ্বের অনেক সচেতন মানুষ ‘BDS Movement’ (Boycott, Divestment and Sanctions) বা পণ্য বর্জন আন্দোলনের সাথে যুক্ত হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো ইসরাইলকে অর্থনৈতিকভাবে চাপে ফেলা। ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে এই আন্দোলন আরও বেগবান হয়েছে। সাধারণ মানুষ এখন আর অন্ধের মতো পণ্য কিনছে না। তারা পণ্যের উৎস এবং সেই কোম্পানির লভ্যাংশ কোথায় যায়, তা যাচাই করতে চায়। উইকিপিডিয়া বা অন্যান্য সোর্সে মানুষ যখন ইসরাইলের পণ্য তালিকা উইকিপিডিয়া লিখে সার্চ করে, তখন তারা মূলত একটি ভেরিফায়েড বা সত্যতা নিশ্চিত করা তালিকা চায়।

ইসরাইলি পণ্য চেনার সহজ উপায়

কোনো পণ্য ইসরাইলের কি না, তা চেনার জন্য কিছু নির্দিষ্ট পদ্ধতি রয়েছে। যদিও বিশ্বায়নের এই যুগে একটি পণ্য বিভিন্ন দেশে তৈরি হতে পারে, তবুও কিছু মৌলিক বিষয় দেখে আপনি পণ্যটি শনাক্ত করতে পারেন।

১. বারকোড (Barcode) পদ্ধতি

সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো পণ্যের গায়ের বারকোড চেক করা। আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি দেশের জন্য আলাদা বারকোড প্রিফিক্স থাকে। ইসরাইলের জন্য নির্ধারিত বারকোড শুরু হয় “729” দিয়ে। অর্থাৎ, যদি কোনো পণ্যের বারকোডের নিচে থাকা সংখ্যার প্রথম তিনটি ডিজিট ৭২৯ হয়, তবে বুঝতে হবে পণ্যটি ইসরাইলে উৎপাদিত হয়েছে। তবে এখানে একটি কিন্তু আছে। অনেক ইসরাইলি কোম্পানি এখন অন্য দেশে তাদের পণ্য উৎপাদন করে “মেড ইন চায়না” বা “মেড ইন ইন্ডিয়া” লেভেল লাগিয়ে বিক্রি করে। সেক্ষেত্রে বারকোড ৭২৯ নাও হতে পারে।

২. প্যারেন্ট কোম্পানি বা মূল মালিকানা

অনেক সময় পণ্যটি সরাসরি ইসরাইলি ব্র্যান্ডের না হলেও, এর মূল মালিকানা বা প্যারেন্ট কোম্পানি ইসরাইলি হতে পারে। অথবা বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানি যারা ইসরাইলের অর্থনীতিতে বিশাল বিনিয়োগ করে রেখেছে। যেমন, অনেক বিখ্যাত আমেরিকান বা ইউরোপীয় ব্র্যান্ড ইসরাইলে তাদের গবেষণা কেন্দ্র বা আর অ্যান্ড ডি (R&D) সেন্টার পরিচালনা করে এবং ইসরাইলি সেনাবাহিনীকে সহায়তা করে।

খাদ্য ও পানীয় (Food and Beverage)

খাদ্য ও পানীয় খাতে ইসরাইলি বিনিয়োগ বা সরাসরি ইসরাইলি পণ্যের উপস্থিতি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক। বাংলাদেশেও এমন অনেক পণ্য পাওয়া যায় যা আমরা প্রতিদিন ব্যবহার করি।

কোকাকোলা (Coca-Cola)

বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় পানীয় ব্র্যান্ড কোকাকোলা। যদিও এটি একটি আমেরিকান কোম্পানি, কিন্তু ইসরাইলের সাথে এর গভীর অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। ইসরাইলের আতরোট (Atarot) নামক অবৈধ বসতি এলাকায় কোকাকোলার একটি বড় ফ্যাক্টরি রয়েছে। দীর্ঘ দিন ধরে তারা ইসরাইলকে সমর্থন দিয়ে আসছে বলে অভিযোগ রয়েছে এবং আন্তর্জাতিক বয়কট তালিকার শীর্ষে থাকে এই নামটি। এর সাথে ফ্যান্টা (Fanta), স্প্রাইট (Sprite) এবং কিনলে (Kinley) এর নামও যুক্ত।

নেসলে (Nestle)

সুইজারল্যান্ড ভিত্তিক এই কোম্পানিটি বিশ্বের বৃহত্তম খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রতিষ্ঠান। নেসলে ইসরাইলে বিশাল অংকের বিনিয়োগ করেছে। ওসেম (Osem) নামের একটি ইসরাইলি খাদ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের বড় শেয়ার হোল্ডার নেসলে। বাংলাদেশে নেসলের কফি, ম্যাগি নুডলস, এবং সেরেলাক খুবই জনপ্রিয়।

পেপসিকো (PepsiCo)

পেপসি, সেভেন আপ (7Up), মিরিন্ডা (Mirinda) এবং লেস (Lays) চিপস উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান পেপসিকো। এরা সরাসরি ইসরাইলি কোম্পানি না হলেও, তারা সোডা স্ট্রিম (SodaStream) নামক একটি ইসরাইলি কোম্পানি কিনে নিয়েছিল। সোডা স্ট্রিম ফিলিস্তিনের দখলকৃত জায়গায় তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য বিতর্কিত।

ড্যানোন (Danone)

ড্যানোন একটি ফ্রেঞ্চ কোম্পানি হলেও ইসরাইলের খাদ্য ও দুগ্ধজাত শিল্পে তাদের বড় বিনিয়োগ রয়েছে। ইসরাইলের স্ট্রস গ্রুপ (Strauss Group) এর সাথে ড্যানোনের ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব রয়েছে।

প্রসাধনী ও পার্সোনাল কেয়ার (Cosmetics and Personal Care)

রূপচর্চা ও প্রসাধনী সামগ্রীর বাজারেও ইসরাইলি প্রভাব কম নয়। অনেক সময় আমরা না জেনেই এসব পণ্য ব্যবহার করি।

লরিয়াল (L’Oreal)

বিশ্ববিখ্যাত ফরাসি ব্র্যান্ড লরিয়াল। এই কোম্পানিটি ইসরাইলকে তাদের কার্যক্রমের জন্য অন্যতম ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে। ইসরাইলের মিগদাল হা’এমেক শহরে তাদের কারখানা রয়েছে। গার্নিয়ার (Garnier), মেবেলিন (Maybelline) এবং লরিয়াল প্যারিস পণ্যগুলো এই গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত।

আহভা (Ahava)

এটি সরাসরি একটি ইসরাইলি কসমেটিকস ব্র্যান্ড। মৃত সাগর বা ডেড সি (Dead Sea) থেকে খনিজ উপাদান সংগ্রহ করে তারা প্রসাধনী তৈরি করে। তাদের কারখানাগুলো মূলত ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের অবৈধ বসতিগুলোতে অবস্থিত। যদিও বাংলাদেশে এটি খুব বেশি সহজলভ্য নয়, তবে বড় শপিং মল বা অনলাইনে এটি পাওয়া যায়।

প্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক্স (Technology and Electronics)

প্রযুক্তি খাতে ইসরাইলকে বলা হয় “স্টার্টআপ নেশন”। ফলে আমাদের ব্যবহৃত অনেক প্রযুক্তি পণ্যের সাথে ইসরাইলের যোগসূত্র রয়েছে।

এইচপি (HP – Hewlett Packard)

এইচপি বা হিউলেট প্যাকার্ড একটি আমেরিকান কোম্পানি হলেও ইসরাইলি সরকারের সাথে তাদের গভীর সম্পর্ক। ইসরাইলি সেনাবাহিনী এবং পুলিশ প্রশাসনের জন্য বায়োমেট্রিক আইডি কার্ড এবং সার্ভার প্রযুক্তি সরবরাহ করে এইচপি। এই প্রযুক্তির মাধ্যমেই ফিলিস্তিনিদের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এজন্য বিডিএস (BDS) আন্দোলনে এইচপি বর্জনের ডাক দেওয়া হয়।

ইন্টেল (Intel)

কম্পিউটার প্রসেসর তৈরির জন্য বিখ্যাত ইন্টেল। ইসরাইলে ইন্টেলের বিশাল গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্র রয়েছে। তারা ইসরাইলি অর্থনীতিতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে এবং তাদের প্রসেসরের বড় একটি অংশ সেখানে ডিজাইন করা হয়।

সিমেন্স (Siemens)

জার্মান কোম্পানি সিমেন্স ইসরাইলের বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং ট্রাফিক কন্ট্রোল সিস্টেম উন্নয়নে কাজ করে। এছাড়া ইসরাইলি রেলওয়ের সাথেও তাদের চুক্তি রয়েছে যা অবৈধ বসতিগুলোর সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে।

পোশাক ও ফ্যাশন (Clothing and Fashion)

পোশাক শিল্পেও এমন কিছু ব্র্যান্ড রয়েছে যারা ইসরাইলকে সমর্থন করে বা সেখানে তাদের উৎপাদন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালায়।

পুমা (Puma)

জার্মান স্পোর্টস ব্র্যান্ড পুমা। তারা ইসরাইল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (IFA) প্রধান স্পনসর। ইসরাইলি ফুটবল ক্লাবগুলোর মধ্যে অনেকেই অবৈধ বসতি এলাকায় অবস্থিত। পুমা তাদের স্পনসর করার কারণে বিশ্বজুড়ে সমালোচিত এবং বয়কট তালিকার অন্তর্ভুক্ত।

ডেল্টা গ্যালিল (Delta Galil)

এটি ইসরাইলের একটি টেক্সটাইল কোম্পানি। বিশ্বের অনেক নামী-দামি ব্র্যান্ড যেমন কেলভিন ক্লেইন (Calvin Klein), ভিক্টোরিয়া’স সিক্রেট (Victoria’s Secret) এবং নাইকি (Nike) এর অনেক পণ্য এই ইসরাইলি কোম্পানিটি তৈরি করে থাকে। অর্থাৎ, ব্র্যান্ডের নাম ভিন্ন হলেও পণ্যটি তৈরি হয়েছে ইসরাইলি মালিকানাধীন কারখানায়।

আরও জানতে পারেনঃ শামীম হাসান সরকার জীবনী, পরিবার, উইকিপিডিয়া

ইসরাইলি পণ্যের তালিকা এবং তাদের বিকল্প

নিচে একটি ছকের মাধ্যমে বহুল ব্যবহৃত কিছু পণ্য এবং তাদের ধরণ উল্লেখ করা হলো, যা আপনাকে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে।

ক্রমিকব্র্যান্ড/কোম্পানির নামপণ্যের ধরণমালিকানা/সম্পৃক্ততা
কোকাকোলা (Coca-Cola)পানীয়ইসরাইলে ফ্যাক্টরি ও বিনিয়োগ
নেসলে (Nestle)খাদ্য ও পানীয়ইসরাইলি কোম্পানি Osem-এ বিনিয়োগ
এইচপি (HP)ল্যাপটপ, প্রিন্টারইসরাইলি প্রযুক্তিতে সহায়তা
ইন্টেল (Intel)প্রসেসর, চিপইসরাইলে R&D সেন্টার
লরিয়াল (L’Oreal)প্রসাধনীইসরাইলে উৎপাদন কার্যক্রম
ম্যাকডোনাল্ডস (McDonald’s)ফাস্ট ফুডইসরাইলি সৈন্যদের খাবার সরবরাহ (শাখা বিশেষে)
স্টারবাকস (Starbucks)কফি চেইনজায়নবাদী কার্যক্রমে সমর্থনের অভিযোগ
পুমা (Puma)জুতা ও পোশাকইসরাইলি ফুটবলের স্পনসর
জনসন অ্যান্ড জনসনবেবি প্রোডাক্টইসরাইলি কোম্পানি কেনার রেকর্ড
১০টিম্বারল্যান্ড (Timberland)জুতাইসরাইলি চামড়া ব্যবহারকারী

বাংলাদেশে ইসরাইলি পণ্যের বিকল্প কী?

পণ্য বর্জনের পাশাপাশি বিকল্প পণ্য খুঁজে বের করা অত্যন্ত জরুরি। বাংলাদেশে এখন অনেক মানসম্মত দেশীয় পণ্য উৎপাদিত হচ্ছে। ইসরাইলের পণ্য তালিকা উইকিপিডিয়া বা অন্য কোথাও খোঁজার পাশাপাশি আমাদের দেশীয় পণ্যের দিকে নজর দেওয়া উচিত।

  • পানীয়: কোকাকোলা বা পেপসির বদলে বাংলাদেশের আকিজ গ্রুপের মোজো (Mojo), প্রাণ গ্রুপের ম্যাক্স কোলা, বা স্থানীয় ফলের জুস পান করা যেতে পারে। মোজো ইতিমধ্যেই ফিলিস্তিন তহবিলে সহায়তা করে মানুষের মন জয় করেছে।
  • খাদ্যদ্রব্য: নেসলের ম্যাগি নুডলসের বদলে কোকোলা নুডলস, মিস্টার নুডলস বা চপস্টিক নুডলস খাওয়া যেতে পারে।
  • পোশাক: বিদেশি ব্র্যান্ডের বদলে আড়ং, ক্যাটস আই, ইয়েলো বা স্থানীয় ব্র্যান্ডের পোশাক ব্যবহার করা দেশের অর্থনীতির জন্য ভালো।
  • ঔষধ: বাংলাদেশ ঔষধ শিল্পে স্বয়ংসম্পূর্ণ। স্কয়ার, বেক্সিমকো, ইনসেপ্টার মতো কোম্পানিগুলো বিশ্বমানের ঔষধ তৈরি করছে।

কেন এই তালিকা গুরুত্বপূর্ণ?

অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন, পণ্য বর্জন করে কি আদৌ কোনো লাভ হয়? অর্থনীতিবিদরা বলেন, সাময়িকভাবে হয়তো বড় কোম্পানির ওপর এর প্রভাব কম মনে হতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এটি ব্র্যান্ড ভ্যালু ও শেয়ার বাজারে ধস নামাতে পারে। স্টারবাকস এবং ম্যাকডোনাল্ডস এর মতো কোম্পানিগুলো মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার বাজারে বয়কটের কারণে বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। তাই আপনার একটি ছোট সিদ্ধান্ত বা সচেতনতা বড় পরিবর্তনের সূচনা করতে পারে।

প্রশ্ন-উত্তর সেকশন (FAQs)

কোকাকোলা কি সরাসরি ইসরাইলি কোম্পানি?

না, কোকাকোলা একটি আমেরিকান কোম্পানি। তবে ইসরাইলের সাথে তাদের গভীর ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে এবং ইসরাইলে তাদের নিজস্ব কারখানা রয়েছে বলে তারা বয়কট তালিকার অন্তর্ভুক্ত।

৭২৯ বারকোড থাকলেই কি সেটা ইসরাইলি পণ্য?

হ্যাঁ, বারকোড ৭২৯ দিয়ে শুরু হলে সেটি ইসরাইলে উৎপাদিত। তবে অনেক ইসরাইলি কোম্পানি এখন অন্য দেশে পণ্য উৎপাদন করে, তাই বারকোড ৭২৯ না থাকলেও সেটি ইসরাইলি পণ্য হতে পারে।

বাংলাদেশে কি সরাসরি ইসরাইলি পণ্য আসে?

বাংলাদেশ ও ইসরাইলের মধ্যে কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই এবং সরাসরি বাণিজ্যও নেই। তবে তৃতীয় কোনো দেশ (যেমন ভারত বা সিঙ্গাপুর) হয়ে কিছু পণ্য বা মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানির মাধ্যমে ইসরাইলি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট পণ্য বাজারে প্রবেশ করে।

উইকিপিডিয়াতে কি ইসরাইলি পণ্যের পূর্ণাঙ্গ তালিকা আছে?

ইকিপিডিয়াতে বিক্ষিপ্তভাবে তথ্য পাওয়া যায়, কিন্তু “ইসরাইলের পণ্য তালিকা” নামে সুনির্দিষ্ট কোনো একক পাতা নাও থাকতে পারে বা থাকলেও তা অসম্পূর্ণ হতে পারে।

ফাইবার (Fiverr) কি ইসরাইলি কোম্পানি?

হ্যাঁ, ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস ফাইবার (Fiverr) একটি ইসরাইলি কোম্পানি। এর সদর দপ্তর তেল আবিবে অবস্থিত।

শেষ কথা

পরিশেষে বলা যায়, ইসরাইলের পণ্য তালিকা উইকিপিডিয়া বা অন্য সোর্সে খোঁজার মূল উদ্দেশ্য হলো সচেতনতা। আপনি কোন পণ্য ব্যবহার করবেন বা করবেন না, সেটা একান্তই আপনার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তবে একজন বিশ্বনাগরিক হিসেবে আপনার কষ্টার্জিত অর্থ কোথায় যাচ্ছে ও তা কোনো অন্যায়ের সহযোগী হচ্ছে কি না, তা জানা আপনার অধিকার। আশা করি, আজকের এই আর্টিকেলটি আপনাকে সেই সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করবে। দেশীয় পণ্যের ব্যবহার বাড়ান, দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করুন এবং মানবিকতার পাশে দাঁড়ান।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button